for Add
: ২৫ আগস্ট ২০১৫, মঙ্গলবার, ১২:৩৯:২৭
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘরোয়া ক্রিকেটের বর্ষপঞ্জী ঘোষণার পর তা না মানাটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের। তবে এবার নতুন মৌসুমের সূচী ঘোষনার সময় তা বাস্তবায়নের ঘোষণাটা দৃঢ়কন্ঠেই দিয়েছেন বিসিবির পরিচালক ও ক্রিকেট পরিচালনা প্রধান নাঈমুর রহমান দূর্জয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততার কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটকে বিঘ্নিত না করার পক্ষে উচ্চকণ্ঠ তিনি। তারপরও প্রশ্ন থেকে যায় বিসিবি কি পারবে এ প্রতিশ্রুতি রাখতে?
আসন্ন ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম সামনে রেখে বিসিবির সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর সমন্বয় সভা শেষে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন মৌসুমের মূল চারটি প্রতিযোগিতার সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেছেন নাঈমুর রহমান। জাতীয় লিগ ১৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ৮ নভেম্বর। ২৫ নভেম্বর থেকে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বিপিএল। বিসিএল চলবে ৫ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ১১ মার্চ থেকে ৯ মে।
কয়েক বছর ধরেই ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার ঠিকমতো মানা হচ্ছে না। অবহেলার ঘোরপোটে সবার আগে রয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ। অথচ জাতীয় দলে বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের রুটি-রুজির উৎস এই প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগই। সঙ্গে এই আঙিনা থেকে প্রতিভাবান ক্রিকেটার অন্বেষণের পথও বিপদ-পর্যায়ে।
সভায় তৈরি করা খসড়া সূচিই আগামী বোর্ড সভায় ২-৩ বছরের জন্য অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হবে। এমটাই জানিয়েছেন দূর্জয় ‘আমরা চাইছি, প্রতি বছর যেন ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। ক্লাব বা ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টে ন্যাশনাল ক্রিকেটারদের একটা ডিমান্ড থাকে। বাস্তব কারণে এখন আমাদের একটা সিদ্ধান্তে আসতেই হয়েছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নির্ভর করবে তাদেরকে পাওয়ার ওপর। জাতীয় দলের ক্রিকেটার না পেলে ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যেত। এখান থেকে এখন সরে আসার সময় হয়েছে।’
For add
For add
For add
For add
for Add