for Add
স্পোর্টস ডেস্ক : ২৬ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬:২৬:২৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে ব্রাজিল ফুটবলে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে নেইমারকে নিয়ে। জাতীয় দলের সর্বশেষ স্কোয়াডে কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে না রাখায় তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন, বিতর্ক আর জল্পনা। তবে এই অনিশ্চয়তার মাঝেই নেইমারের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি অধিনায়ক ও সাবেক কোচ দুঙ্গা।
দুঙ্গার বক্তব্য স্পষ্ট- নেইমারের বিশ্বকাপে যাওয়া বা না যাওয়া নির্ভর করছে পুরোপুরি তার নিজের ওপর। তার মতে, নেইমারের প্রতিভা বা দক্ষতা নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। বরং একজন নেইমার যদি শতভাগ ফিট না-ও থাকেন, তবুও ৮০ শতাংশ ফিটনেস নিয়েই তিনি ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন। তিনি মনে করেন, এমন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে দলে রাখার প্রশ্নে প্রযুক্তিগত দিক থেকে কোনো বিতর্ক থাকার কথা নয়।
তবে একই সঙ্গে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাও তুলে ধরেছেন- নেইমারকে দলে নিলে তাকে মূল ভূমিকায় খেলাতেই হবে। বেঞ্চে বসিয়ে রাখা বা বদলি হিসেবে ব্যবহার করার ধারণাকে তিনি একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে করেন।
তার ভাষায়, ‘নেইমারের মতো মানসিকতা ও ব্যক্তিত্বের একজন খেলোয়াড় কখনোই দ্বিতীয় সারির ভূমিকায় সন্তুষ্ট থাকবেন না। তিনি মাঠে নামবেন নেতৃত্ব দিতে, পার্থক্য গড়ে দিতে, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে।’
এদিকে নেইমারের সাম্প্রতিক ফর্মও এই আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে। সান্তোস এফসির হয়ে ভালো খেললেও জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি কৌশলগত সিদ্ধান্ত, নাকি ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় নেইমারকে ধীরে ধীরে সরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত?
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে, যেখানে যে কোনো সিদ্ধান্তই বড় আলোচনার জন্ম দেবে। যদি আনচেলত্তি নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখেন, তাহলে তাকে ঘিরেই গড়ে উঠবে আক্রমণভাগের পরিকল্পনা। আর যদি বাদ দেন, তাহলে তাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে, কেন ব্রাজিলের অন্যতম সেরা তারকাকে বাইরে রাখা হলো।
ফুটবল বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে এই সিদ্ধান্তের দিকে। কারণ নেইমার শুধু একজন খেলোয়াড় নন, তিনি ব্রাজিল ফুটবলের এক প্রতীক। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপে তার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি- দুটোই হয়ে উঠতে পারে টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় আলোচনার বিষয়।
For add
For add
For add
For add
for Add