for Add
: ২১ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ২:৪৫:৩৭

দিবা-রাত্রির টেস্টে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। অ্যাডিলেডে দিবা-রাত্রির টেস্টে ইংল্যান্ডকে ২৭৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অসিরা।
এ পর্যন্ত দিবা-রাত্রির ৯টি টেস্ট খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। সবগুলোতেই জিতেছে অসিরা।
চতুর্থ দিন শেষেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট জয়ের সুবাতাস পাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া। টেস্টটি জিততে ম্যাচের পঞ্চম ও শেষ দিন অস্ট্রেলিয়ার দরকার পড়ে ৬ উইকেট। আর ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৩৮৬ রান।
কারণ অস্ট্রেলিয়ার ছুঁড়ে দেয়া ৪৬৮ রানের বড় টার্গেটে চতুর্থ দিন শেষে ৪ উইকেটে ৮২ রান করেছিল ইংল্যান্ড।
৩ রান নিয়ে শুরু করে সোমবার বেশি দূর যেতে পারেননি বেন স্টোকস। স্পিনার নাথান লিঁওর শিকার হবার আগে ১২ রান করেন তিনি। আর ওলি পোপকে ৪ রানে তুলে নিয়ে দিনের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন পেসার মিচেল স্টার্ক।
১০৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে ক্ষনিকের প্রতিরোধ গড়ে তোলেন উইকেটরক্ষক জশ বাটলার ও ক্রিস ওকস। উইকেট বাঁচাতে সর্তকতার সাথে খেলতে থাকেন তারা। ১৯০ বল খেলে এক পর্যায়ে বাটলার ও ওকস জুটিতে ম্যাচ বাঁচানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ইংল্যান্ড।
উইকেটে জমে থাকা বাটলার-ওকসের জুটি ভাঙ্গতে অধিনায়ক স্মিথ নিজেও বল করেছেন। অষ্টম বোলার হিসেবে ট্রাভিস হেডকেও আক্রমণে আনেন স্মিথ। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। অবশেষে ৮৮তম ওভারে অস্ট্রেলিয়ার মুখে হাসি ফোটান আগের দিন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনারকে তুলে নেয়া পেসার ঝাই রিচার্ডসন।
ওকসকে বোল্ড করেন রিচার্ডসন। আউট হওয়ার আগে ৯৭ বল খেলে ৭টি চারে ৪৪ রান করেন ওকস। এরপর ওলি রবিনসনকে ৮ রানে তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের আরো কাছে নিয়ে আসেন স্পিনার লিঁও। তখনও অস্ট্রেলিয়ার মাথা ব্যাথার কারন ছিলেন বাটলার।
১১০তম ওভারে অস্ট্রেলিয়ার চিন্তাকে দূর করেন রিচার্ডসন। উইকেটের সাথে সন্ধি করে ফেলা বাটলার হিট আউট হন। ২০৭ বল খেলে ২টি চারে ২৬ রান করেন বাটলার। নবম ব্যাটার হিসেবে বাটলারের আউটের পর অস্ট্রেলিয়ার জয় সময়ের ব্যাপার ছিল।
ইংল্যান্ডের শেষ উইকেট জেমস এন্ডারসনকে শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত করেন রিচার্ডসন। সেই সাথে ইনিংসে পাঁচ উইকেটও নেন তিনি। ৩ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মত পাঁচ উইকেট নিলেন রিচার্ডসন। ইনিংসে ৪২ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ২টি করে উইকেট শিকার করেন স্টার্ক ও লিঁও।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯২ রানে অলআউট হওয়া ইংল্যান্ড, প্রথম ইনিংসে ২৩৬ রান করেছিল। আর দুই ইনিংসেই যথাক্রমে ৯ উইকেটে ৪৭৩ ও ২৩০ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছিল অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচ সেরা হয়েছেন র্মানাস লাবুশেন। প্রথম ইনিংসে ১০৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫১ রান করেন তিনি।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে মেলবোর্নে শুরু হবে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
অস্ট্রেলিয়া : ৪৭৩/৯ডি ও ২৩০/৯ডি, ৬১ ওভার (লাবুশেন ৫১, হেড ৫১, রুট ২/২৭)।
ইংল্যান্ড : ২৩৬ ও ১৯২, ১১৩.১ ওভার (ওকস ৪৪, বার্নস ৩৪, রিচার্ডসন ৫/৪২)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ২৭৫ রানে জয়ী।
সিরিজ : পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচ সেরা : র্মানাস লাবুশেন (অস্ট্রেলিয়া)।
For add
For add
For add
For add
for Add