for Add
স্পোর্টস ডেস্ক : ১৭ আগস্ট ২০২৬, সোমবার, ২২:২৪:০৮

আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়ে এক নম্বর এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সিরিজের প্রথম টেস্টে এসব পরিসংখ্যান কোন কাজেই আসল না। ২২ গজে বাংলাদেশের দুরন্ত পারফরমেন্সের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন করে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটের হারকে হতাশাজনক ও লজ্জার বলছেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা।
১৩১ রেটিং নিয়ে আইসিসি র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকার পাশাপাশি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে ৮ ম্যাচ খেলে ৭ জয় ও ১টি করে হারে ৮৭.৫০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার উপরে ছিল সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।
এমন দলের বিপক্ষে র্যাংকিংয়ের নয় নম্বরে থাকা বাংলাদেশ দল সিরিজের প্রথম টেস্টে কয়দিনে হারতে পারে- এমন আলোচনা ছিল সর্বত্র। কিন্তু সব হিসাব-নিকাশকে পাল্টে দিয়ে টেস্টের চারদিনে ১১ সেশনের সবগুলোতেই দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। কোন সেশনেই বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশ বোলারদের তোপে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যাবার পর প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের চেপে ধরতে পারেনি মিচেল স্টার্ক-প্যাট কামিন্স-জশ হ্যাজেলউডকে নিয়ে গড়া পেস আক্রমণ। উল্টো তানজিদ হাসান-নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪২৬ রানের বড় স্কোর পেয়ে যায় টাইগাররা।
অথচ তানজিদ-শান্তদের নিয়ে গড়া এই ব্যাটিং লাইন-আপই টেস্ট শুরুর আগের সপ্তাহে প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ রানে অলআউট হলে মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য হেসেখেলে স্পর্শ করে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার এমন হার মানতে পারছেন না দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। ফক্স ক্রিকেটকে সাবেক ব্যাটার ও কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বলেন, ‘আমরা মনে হয়, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় অঘটন এটিই। তিন-চার বছর আগে গ্যাবায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেটি অঘটন ছিল। কিন্তু র্যাংকিংয়ের সেরা দল, চ্যাম্পিয়নশিপের সাম্প্রতিক পারফরমেন্স এবং পূর্ণ শক্তির দল থাকার পরও র্যাংকিংয়ের নীচের দিকে থাকা বাংলাদেশের কাছে হার সবচেয়ে বড় অঘটন।’
ফক্স ক্রিকেটকে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার মিচেল জনসন বলেন, ‘ঘরের মাঠে এভাবে হার সত্যিই হতাশার। আমরা কখনো ভাবিনি, টানা চারদিনই ব্যাকফুটে থাকবে অস্ট্রেলিয়া। কোন ঘন্টা বা সেশনের কোনটিতেই দাপট দেখাতে পারেনি কামিন্স-হেডরা। এমন হার দীর্ঘদিন মনে রাখবে অস্ট্রেলিয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলের টপ অর্ডারের দুর্বলতা ও টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য কোন অজুহাত থাকতে পারে না।
ব্যাটিং লাইন-আপ নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়। পুরো টেস্টেই বাজে ক্রিকেট খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। পরিচিত কন্ডিশনে পুরোপুরি ব্যর্থ অসিরা। আশা করি পরের টেস্টেই ঘুরে দাঁড়াবে কামিন্স-স্টার্করা।’
For add
For add
For add
For add
for Add