for Add
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২ অক্টোবর ২০১৬, রবিবার, ২১:০০:১২

বাংলাদেশের ফুটবলে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা স্কোরার। মাঠে দল ভালো খেললেও গোল করার কেউ নেই। এ সমস্যা ভুগিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ দলকে। ভুটানের বিপক্ষে ১০ অক্টোবর অগ্নিপরীক্ষা বাংলাদেশের। ঘরের মাঠে ড্র করায় দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। থিম্পুতে জিততে না পারলেও ড্র করতে হবে। তবে সে ড্র গোলশূন্য হলে চলবে না। ভুটানকে টপকিয়ে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে খেলার সুযোগ পেতে হলে ড্র হতে হবে গোল করে। জিতলেতো কথাই নেই।
এ ম্যাচটির জন্য বেলজিয়ামের কোচ প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছেন তার শিষ্যদের নিয়ে। কোচ ক্যাম্পে ডেকেছেন ৩৩ জন। গতকাল(শনিবার) প্রথম দিন অনুশীলনে ছিলেন মাত্র ১২ জন। আজ(রবিবার) দ্বিতীয় দিনে ২৫ জন খেলোয়াড় উপস্থিত ছিলেন অনুশীলনে। চট্টগ্রাম আবাহনীর খেলোয়াড়রা আগামীকাল(সোমবার) সকালে ক্যাম্পে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন দলের ম্যানেজার ইকবাল হোসেন।
আজ(রবিবার) কমলাপুর স্টেডিয়ামের কৃত্রিম টার্ফে অনুশীলনের সময় সেইন্টফিটকে ব্যস্ত দেখা গেছেপ্রাথমিক দলে ঠাঁই পাওয়া ফরোয়ার্ডদের নিয়ে। ক্যাম্পে আছেন এমিলি, এনামুল- যারা জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন অনেক ম্যাচ। আছেন জাফর ইকবাল, আবদুল্লাহর মতো নবীনরা। বেলজিয়ান কোচ বলেছেন, ‘আমার কয়েকজন গোলদাতা বের করতে হবে। আমি এখন সে চেষ্টাই করছি। দলে এমিলি আছে, এনামুল আছে যারা অভিজ্ঞ। যদিও এনামুল ক্লাবে ফরোয়ার্ড লাইনে খেলেনি তবে তার গোল করার ক্ষমতা আছে। রনি লিগে দুই ম্যচে গোল করেছে। জাফর ইকবাল ও আবদুল্লাহও গোল পেয়েছে; যা খুবই ভালো লক্ষণ। ভুটানের বিপক্ষে আমাদের একটিই লক্ষ্য- আমাদের গোল করতে হবে।’
দলের গঠন সম্পর্কে সেইন্টফিট বলেন, ‘যেহেতু আমরা তিনদিন আগে ভুটান যাবো তাই ২৩ সদস্যের স্কোয়াডে তিনজন গোলরক্ষক অবশ্যই থাকবে।কারণ অনুশীলনে গোলরক্ষকদের ইনজুরিতে পরার আশঙ্কা থাকে। তবে আমি বৃহস্পতিবারের আগে দল চূড়ান্ত করতে পারছি না। দল নিয়ে আমাকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে।’
For add
For add
For add
For add
for Add