for Add
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৪ জুন ২০১৬, শুক্রবার, ২২:১০:০২

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি আয়োজিত‘বিপিএল ও বিএসএল: নতুন সম্ভাবনার সন্ধানে’শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন ফুটবল উন্নয়নে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। আজ (শুক্রবার) এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় একটি হোটেলে। বক্তারা বলেছেন সরকার, ক্লাব ও ফেডারেশনের যৌথ সহযোগিতা ছাড়া ফুটবরের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ সভাপতি সালাম মুর্শেদী, সহ-সভাপতি বাদল রায়, মহিউদ্দিন মহী, নির্বাহি কমিটির সদস্য ও সিলেট ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহিউদ্দিন সেলিম, সাফ-এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল, সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান তরফদার মো. রুহুল আমিন, ক্রীড়া সাংবাদিক দিলু খন্দকার ও দুলাল মাহমুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্রীড়া সাংবাদিক সনৎ বাবলা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুন।
ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুন বলেন, বাংলাদেশই বোধকরি বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে প্রধান খেলা পরিবর্তিত হয়েছে। ২০ বছরের ব্যবধানে ফুটবল কেন এ পর্যায়ে নেমে আসলো তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।
সিলেটের সংগঠক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নির্বাহী সদস্য মাহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম বলেন, ফুটবলের জনপ্রিয়তা হারিয়ে যায়নি। বড়দের খেলা তো বটেই, সিলেটে বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় আমরা ২৪ হাজার টিকিট বিক্রি করেও চাহিদা পুরণ করতে পারিনি।
দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল সংস্থার (সাফ) সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল বলেন, ক্লাবগুলো পেশাদার না হলে কোন উদ্যোগ কাজে আসবেনা। ক্লাবগুলো মোট আয়ের ৯০ শতাংশ অর্থ খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিকে ব্যয় করে। এছাড়াও অন্যান্য কাজ, বিশেষ করে অবকাঠামো উন্নয়ন ও যুব উন্নয়নে কোন উদ্যেগ নেই।
সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টস লিমিটেড চেয়ারম্যান তরফদার রুহুল আমীন বলেন, পেশাদারি কাঠামোর মধ্যে আসার জন্য ক্লাবগুলোকে নির্দিষ্ট একটা সময় বেধে দেয়া উচিত। ওই সময়ের মধ্যে ক্লাবগুলো নতুন সিস্টেম বাস্তবায়নে উদ্যেগ নেবে।
সহ সভাপতি বাদল রায় তৃণমূল ফুটবল উন্নয়নে ফেডারেশনের জোড় দেয়ার ও সঠিক পরিকল্পনার দিকে জোড় দেন। বাফুফের সিনিয়র সহ সভাপতি সালাম মুর্শেদী সরকারের প্রতি আরো বেশি দায়িত্বশীল সহযোগিতার আহবান জানান। বিপিএল নতুন মোড়কে আয়োজন করে ফুটবলের জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনা যাবে বলে মনে করেন তিনি।
বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহনের আগে খেলোয়াড়রা মঞ্চ তৈরী করে খেলার দাবী জানিয়েছেন, আন্দোলন হয়েছে। গত আট বছরে কোন লিগ বন্ধ থাকেনি। আমি কোচ নই, নিজে খেলতেও পারবোনা। সংগঠক হিসেবে আমার কাজ খেলা আয়োজনক করা, জাতীয় দলকে সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। বিদেশী এবং স্থানীয় কোচ মিলিয়ে প্রতিমাসে আমাকে ২০ লাখ টাকা বেতন গুনতে হয়। তাজিকিস্তানের ঠান্ডা আবহাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সেখানে তো আমি চারদিন আগে দল পাঠিয়েছি। তারপরও ৫ গোলে হেরে আসলে আমি কী করতে পারি?
ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন। ফুটবলের প্রতি তার দুর্বলতার কথাও বলেন। বিপিএল ঢাকার বাইরে নিতে এবং ভেন্যুগুলোর উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। ফ্লাডলাইট, ড্রেসিংরুম, প্রেসবক্স উন্নয়ন করা হবে বলেও জানান।
সমিতির সিনিয়র সদস্য প্রয়াত রনজিৎ বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে শুরু হয় সেমিনার।
For add
For add
For add
For add
for Add