for Add
বাসস : ৬ মার্চ ২০২২, রবিবার, ২:৪৭:১০

মুশফিকুর রহমানের শততম ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি জ¦লে উঠতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১৫ রানের মামুলি সংগ্রহ পেয়েছে টাইগাররা। নিজের শততম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন মুশফিক।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এ ম্যাচেও টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
ব্যাট হাতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারে মাত্র ৩ রান তুলেন মোহাম্মদ নাইম ও আগের ম্যাচে অভিষেক হওয়া মুনিম শাহরিয়ার। তবে আফগানিস্তানের অধিনায়ক মোহাম্মদ নবির করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রথম বাউন্ডারি আদায় করে নেন মুনিম। কিন্তু চতুর্থ বলে উইকেট ছেড়ে খেলতে গিয়ে মিড অফের ফিল্ডার শরফুদ্দিন আশরাফকে ক্যাচ দিয়ে ১০ বলে ৪ রান করে আউট হন মুনিম।
আগের ম্যাচে দলের বিপর্যয়ের মাঝেও ৬০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন লিটন দাস। আজও তেমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তৃতীয় ওভারে পুল শটে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে একটি ছক্কা মারেন লিটন। তবে পঞ্চম ওভারের প্রথম ডেলিভারিতে আউট হন লিটন। আজমতুল্লাহ ওমরাজাইর বলে আশরাফকে ক্যাচ দেন ১০ বলে ১৩ রান করা লিটন।
লিটনের বিদায়ের ওভারে দু’টি বাউন্ডারি মারেন নাইম। এরপর ৩ ওভার কোন চার-ছক্কার মুখ দেখেনি বাংলাদেশ। উইকেট ধরে খেলতে গিয়ে ঐ ৩ ওভারে মাত্র ৮ রান তুলেন নাইম ও সাকিব আল হাসান। নবম ওভারের প্রথম বলে সাকিবের সাথে ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউট হন টেস্ট মেজাজে ১৯ বলে ১৩ রান করা নাইম।
উইকেটে সেট হবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন সাকিব। ওমরজাইর করা দশম ওভারের তৃতীয় বলটি ছিলো বাউন্সার, সেটি ঠিক-ঠাক সামলাতে না পেরে আকাশে বল তুলে দেন সাকিব। উইকেটরক্ষক রহমানউল্লাহ গুরবাজ সহজেই সেটি তালুবন্দি করলে ১৫ বলের বাউন্ডারিহীন ইনিংসে ৯ রান করা সাকিবের বিদায় ঘটে।
৪৫ রানে ৪ উইকেট পতনের পর দলকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন শততম ম্যাচ খেলতে নামা মুশফিক ও অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। উইকেট সেট হতে কিছুটা সময় নেন তারা। ১২তম ওভারে রশিদ খানের বল দু’বার মাঠ ছাড়া করেন মাহমুদুল্লাহ।
করিম জানাতের করা ১৪তম ওভারে ২টি বাউন্ডারি পান মুশফিক। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ২ হাজার রান পূর্ণ করেন মাহমুদুল্লাহ। তবে ঐ ওভারের চতুর্থ বলে রশিদের বলে বোল্ড হন টাইগার নেতা। ৩টি চারে ১৪ বলে ২১ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। মুশফিকের সাথে পঞ্চম উইকেটে ৩১ বলে ৪৩ রান যোগ করেন তিনি।
দলীয় ৮৮ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে মাহমুদুল্লাহর আউটের পর ব্যাটিং ধস নামে বাংলাদেশের। ১০৫ রানে নবম উইকেট হারায় তারা। তবে শেষ উইকেটে নাসুম আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের দৃঢ়তায় অলআউট হয়নি বাংলাদেশ। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১৫ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
মাহমুদুল্লাহর সাথে এ ম্যাচে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়া মুশফিক ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে ৩০ রান করে আউট হন। তার ২৫ বলের ইনিংসে ৪টি চার ছিলো। এছাড়া আফিফ হোসেন ৭, মাহেদি হাসান-শরিফুল ইসলাম রানের খাতা খুলতে পারেননি।
নাসুম ৫ ও ফিজ ৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। আফগানিস্তানের ফারুকি ১৮ রানে ও ওমরজাই ২২ রানে ৩টি করে উইকেট নেন।
For add
For add
For add
For add
for Add