for Add

শেষ বলে হেরে হোয়াইটওয়াশ

নাটকীয়তায় ভরা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে জয়ের জন্য ১২৫ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। শুরুতে ম্যাচ জয়ের পথও মসৃন করে ফেলেছিল পাকিস্তান। কিন্তু শেষদিকে পাকিস্তানের উপর চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের বোলাররা। এমন অবস্থায় ম্যাচ জিততে শেষ ওভারে ৮ রান প্রয়োজন পড়ে পাকিস্তানের। শেষ ওভারে বল হাতে নিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের প্রবল সুযোগ তৈরি করেছিলেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু শেষ বলে বাউন্ডারি আদায় করে নিয়ে বাংলাদেশকে জয় বঞ্চিত করেন মোহাম্মদ নওয়াজ।

ফলে জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও ম্যাচের শেষ বলে পাকিস্তানের কাছে হার মানতে হলো বাংলাদেশকে। সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে জিতে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতলো পাকিস্তান। এই নিয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে চতুর্থবারের মত হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ। সেই সাথে টি-টোয়েন্টিতে হারের বৃত্ত থেকেও বের হওয়া হলো না টাইগারদের। টানা আট ম্যাচ হারলো তারা।

আগের দুই ম্যাচের মত আজও টস ভাগ্যে জয় পান বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এবারও প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন টাইগার দলপতি। মোহাম্মদ নাইমের সাথে ইনিংস শুরু করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা শাহনাওয়াজ দাহানির করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হন শান্ত। অফ-মিডল স্টাম্পের বল সোজা ব্যাটে না খেলে, ফ্লিক করতে গিয়ে বোল্ড হওয়ার আগে ৫ বলে ৫ রান করেন শান্ত।

শান্তর বিদায়ে উইকেটে এসে প্রথম বলেই বাউন্ডারি মারেন শামীম হোসেন। চতুর্থ ওভারের শেষ দুই বলেও দুই বাউন্ডারি আসে শামীমের ব্যাট থেকে। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেও বাউন্ডারি মেরে নিজের আত্মবিশ্বাসটা ধরে রাখেন শামীম। কিন্তু অন্যপ্রান্তে টেস্ট মেজাজে ছিলেন নাইম। তাই পাওয়া প্লেতে ৩৩ রান পায় বাংলাদেশ। যার মধ্যে ১৮ বলে ২০ রান ছিল শামীমের।

উইকেট সেট হওয়া শামীম, নিজের ভুলে অষ্টম ওভারে থেমে যান। প্রথমবারের মত আক্রমণে আসা লেগ-স্পিনার উসমান কাদিরকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন শামীম। ৪টি চারে ২৩ বলে ২২ রান করেন শামীম।

দলীয় ৩৭ রানে শামীমের আউটে ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন। নাইমের সাথে ইনিংসকে বড় করছিলেন আফিফ। তবে সেটি ওয়ানডে স্টাইলে। দশম ওভারে ১টি করে চার ও ছক্কা মারেন নাইম। এতে ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৫২ রান পায় বাংলাদেশ। ১২তম ওভারে ২টি ছক্কায় রানের গতি বাড়ান তিনি। কিন্তু ১৪তম ওভারে কাদিরের দ্বিতীয় শিকার হন আফিফ। ২টি ছক্কায় ২০ বলে ২১ রান করেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে নাইমের সাথে ৪২ বলে ৪৩ রান দলকে এনে দেন আফিফ।

এরপর অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে ১৭তম ওভারে দলের স্কোর শতরানে নিয়ে যান নাইম। তাই বড় স্কোরের আশা শেষই হয়ে যায় বাংলাদেশের। তারপরও লড়াই করার পুঁিজর জন্য বাংলাদেশ তাকিয়ে ছিল নাইম-মাহমুদুল্লাহ সোহানদের দিকে, হতাশ করেছেন তারা।

১৯তম ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন নাইম ও নুরুল হাসান সোহান। ২টি করে চার-ছক্কায় ৫০ বলে ৪৭ রান করেন নাইম। টি-টোয়েন্টি মেজাজে না খেললেও ছয় ইনিংস পর বলার মত স্কোর নাইমের। আগের ছয় ইনিংসে তার সর্বোচ্চ রান ছিল ১৭। চার মেরে রানের খাতা খোলা নাইম-সোহানকে শিকার হন পেসার ওয়াসিমের।

রউফের করা শেষ ওভারের প্রথমে বলে বাউন্ডারি লাইনের কাছে ওয়াসিমকে ক্যাচ দেন মাহমুদুল্লাহ। ১৪ বলে ১৩ রান করেন অধিনায়ক। পরের চার বলে ১টি বাউন্ডারিতে ৭ রান তুলেন মেহেদি হাসান ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। আর শেষ বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন বিপ্লব। মাহেদি ১টি চারে ৩ বলে অপরাজিত ৫ রান করেন। ৩ রান করেন বিপ্লব। পাকিস্তানের ওয়াসিম-কাদির ২টি করে উইকেট নেন।

বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করতে ১২৫ রানের সহজ টার্গেট পায় পাকিস্তান। সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাবধানী শুরু পাকিস্তানের দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও অধিনায়ক বাবর আজমের। প্রথম ৩ ওভারে ৯ রান তুলেন তারা। চতুর্থ ওভারে প্রথম বাউন্ডারি মারেন বাবর। পঞ্চম ওভারে ইনিংসের দ্বিতীয় বাউন্ডারি আসে বাবরের ব্যাট থেকে। বাবরের দুই বাউন্ডারিতে পাওয়া-প্লেতে ২৮ রান উঠে পাকিস্তানের।

সপ্তম ওভারের প্রথমবারের মত আক্রমণে এসেই উইকেট তুলে নেন লেগ-স্পিনার আমিনুল। ওভারের শেষ বলটি শর্ট পিচ করান আমিনুল। সেটি উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে নাইমকে ক্যাচ দেন ২৫ বলে ১৯ রান করা বাবর।

সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান করা বাবরের ব্যাট এই সিরিজে কথা বলেনি। প্রথম দুই ম্যাচে ৭ ও ১ রান করেছিলেন তিনি। দলীয় ৩২ রানে বাবরকে হারানেরা পর দলের জয়ের পথ মসৃন করেছেন রিজওয়ান ও হায়দার আলি। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৯ বলে ৫১ রান যোগ করেন তারা।

রিজওয়ানকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙ্গেন বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা পেসার শহিদুল। ৪৩ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪০ রান করেন রিজওয়ান।

এরপর তৃতীয় উইকেটে ২৬ বলে ৩৪ রান করে পাকিস্তানকে জয়ের পথেই রেখেছিলেন হায়দার ও সরফরাজ। ১৬ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৯৯ রান তুলে পাকিস্তান। তবে ১৭ থেকে ১৯তম ওভারে কিপটে বোলিংয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেন বাংলাদেশের বোলাররা। মেহেদি ১৭তম ওভারে ৭, তাসকিন ১৮তম ওভারে ৪ ও শহিদুল ১৯তম ওভারে ৭ রান দেন। ফলে শেষ ওভারে জিততে ৮ রান দরকার পড়ে পাকিস্তানের।

এই অবস্থায় বল হাতে তুলে নেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। বিপিএলে শেষ ওভারে বল হাতে নিয়ে তার দলকে বেশ কিছু ম্যাচ জিতিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ। সেই অভিজ্ঞতায় বল হাতে নিয়েই প্রথম বলে ডট, দ্বিতীয়-তৃতীয় বলে যথাক্রমে সরফরাজ ও হায়দারকে শিকার করেন মাহমুদুল্লাহ। এতে পাকিস্তানের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ৩ বলে ৮ রানের। কিন্তু চতুর্থ বলে ছক্কা মারেন ইফতিখার। আর পঞ্চম বলে ইফতিখারকে আউট করে বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রাখেন মাহমুদুল্লাহ। শেষ বলে ২ রানের প্রয়োজনে বাউন্ডারি মারেন নাওয়াজ। এতে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয় টাইগারদের।

বাংলাদেশের মাহমুদুল্লাহ ১ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। শহিদুল-আমিনুল ১টি করে উইকেট নেন। পাকিস্তানের হায়দার ৪৫ ও সরফরাজ ৬ রান করেন। ম্যাচ সেরা হন হায়দার ও সিরিজ সেরা হন রিজওয়ান।

টি-টোয়েন্টি শেষে এবার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে চট্টগ্রামে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। ৪ ডিসেম্বর ঢাকায় শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। টেস্ট সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ।

স্কোর কার্ড : (টস- বাংলাদেশ)

বাংলাদেশ ইনিংস :
মোহাম্মদ নাইম ক এন্ড ব ওয়াসিম ৪৭
নাজমুল হোসেন শান্ত বোল্ড ব দাহানি ৫
শামীম হোসেন ক ইফতিখার ব কাদির ২২
আফিফ ক রিজওয়ান ব কাদির ২০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ক ওয়াসিম ব রউফ ১৩
নুরুল হাসান ক কাদির ব ওয়াসিম ৪
মাহেদি হাসান অপরাজিত ৫
আমিনুল ইসলাম রান আউট ৩
অতিরিক্ত (বা-২, লে বা-১, ও-২) ৫
মোট (৭ উইকেট, ২০ ওভার) ১২৪
উইকেট পতন : ১/৭ (শান্ত), ২/৩৭ (শামীম), ৩/৮০ (আফিফ), ৪/১১১ (নাইম), ৫/১১৬ (নুরুল), ৬/১১৬ (মাহমুদুল্লাহ), ৭/১২৪ (আমিনুল)।
পাকিস্তান বোলিং :
নাওয়াজ : ১-০-২-০,
দাহানি : ৩-০-২৪-১ (ও-২),
ওয়াসিম : ৪-০-১৫-২,
রউফ : ৪-০-৩২-১ (ও-২),
ইফতিখার : ৪-০-১৩-০,
কাদির : ৪-০-৩৫-২।

পাকিস্তান ইনিংস :
রিজওয়ান বোল্ড ব শহিদুল ৪০
বাবর ক নাইম ব আমিনুল ১৯
হায়দার ক শান্ত ব মাহমুদুল্লাহ ৪৫
সরফরাজ আহমেদ ক নাইম ব মাহমুদুল্লাহ ৬
ইফতিখার ক ইয়াসির ব মাহমুদুল্লাহ ৬
খুশদিল অপরাজিত ০
নাওয়াজ অপরাজিত ৪
অতিরিক্ত (লে বা-২, নো-১, ও-৩) ৭
মোট (৫ উইকেট, ২০ ওভার) ১২৭
উইকেট পতন : ১/৩২ (বাবর), ২/৮৩ (রিজওয়ান), ৩/১১৭ (সরফরাজ), ৪/১১৭ (হায়দার), ৫/১২৩ (ইফতিখার)।
বাংলাদেশ বোলিং :
মাহেদি : ৪-০-১৯-০,
তাসকিন : ৩.১-০-১৬-০,
নাসুম : ৪-০-২০-০ (ও-১),
শহিদুল : ৩.৫-০-৩৩-১ (ও-১) (নো-১),
আমিনুল : ৪-০-২৬-১ (ও-১),
মাহমুদুল্লাহ : ১-০-১০-৩।

ফল : পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচ সেরা : হায়দার আলী (পাকিস্তান)।

সিরিজ সেরা : মোহাম্মদ রিজওয়ান (পাকিস্তান)।

সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতলো পাকিস্তান।

Tags: , ,

সব সংবাদ

৪০০তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ম্যাচ জিতে রেকর্ড জোকোভিচের নড়াইলে তারুণ্যের উৎসব চুকবল কর্মসূচি চট্টগ্রামকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী হকির সাবেক অধিনায়কের এ কি কান্ড! বিব্রতকর হার নিয়ে রেসলিং ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন জন সিনা বিজয় দিবসে বিসিবির প্রীতি ম্যাচে খেলবেন যারা বিএনপির মনোনয়ন পেলেন সাবেক দুই তারকা ফুটবলার ৩০ নভেম্বর কক্সবাজারে বিওএ’র নির্বাচন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএসপিএর নতুন কার্যালয় উদ্বোধন এশিয়ান আর্চারিতে ভালো করার প্রত্যয় মেসির গোলেও শেষ রক্ষা হলো মিয়ামির ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে টিটির লক্ষ্য সেমিফাইনাল ২১তম জাতীয় দূরপাল্লা সাঁতার প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক থাকছেন শান্ত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে কাঙ্ক্ষিত ফলাফলের প্রত্যাশা বাংলাদেশের নোশিনের শিরোপা অক্ষুন্ন হাসপাতালে ভর্তি মাহমুদউল্লাহ যোগ দিয়েছেন জামাল-জায়ানসহ ১৪ জন, ভারত ম্যাচের ক্যাম্প শুরু নারী হকিতে কোটি টাকার টুর্নামেন্ট থাইল্যান্ডের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশের মেয়েরা কাভাকাপ ভলিবলে বাংলাদেশের টানা তৃতীয় জয় আর্টিসান জাতীয় সেপাক টাকরো শুরু কাভাকাপ ভলিবলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয় সেরা সাঁতারু সামিউল রাফি চট্টগ্রামে কাল জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট শীর্ষ দাবাড়ুরা খেলবেন ব্লাইন্ডফোল্ড চেস টুর্নামেন্ট আন্তর্জাতিক ভলিবলে মালদ্বীপকে হারিয়ে শুরু বাংলাদেশের জাতীয় সাঁতারে সামিউল রাফির আরেকটি রেকর্ড নরসিংদীতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ খেলার উপযোগী করার নির্দেশ এশিয়ান যুব গেমস কাবাডিতে বাংলাদেশের পদক জয় কাভা আন্তর্জাতিক ভলিবল কাল থেকে শুরু রাফির ৪টি রেকর্ডসহ মোট ৭টি জাতীয় রেকর্ড ২৪ অক্টোবর শুরু হচ্ছে জাতীয় সেপাক টাকরো  জাতীয় সাঁতারে প্রথম দিনে ৫টি নতুন জাতীয় রেকর্ড কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভালে সেরা ক্রীড়াবিদ মুকুল জয় দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ নভেম্বরে ঢাকায় নারী বিশ্বকাপ কাবাডি আগামী এক বছরে ২৪টি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত আনচেলত্তি নারী হকিতে ভরসার নাম অর্পিতা পাল বাংলাদেশের মেয়েদের দুবাইয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয় ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র টেনিসে বাংলাদেশের জারিফ চ্যাম্পিয়ন শেষ মুহূর্তের গোলে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ হার দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের হংকংয়ের বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্টের লক্ষ্য ক্যাবরেরার ওয়ার্ল্ড টেনিস ট্যুর জুনিয়র শনিবার থেকে শুরু ৪ বছর পর শুরু হচ্ছে ফেডারেশন কাপ ‘ইনশাআল্লাহ আমরা জিতমু’ : হামজা চৌধুরী লড়াই করে হারল বাংলাদেশ আবারও বিসিবি সভাপতি বুলবুল

For add

For add

গুরুত্বপূর্ণ কিছু লিংক

For add

For add

for Add