for Add
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৮ মে ২০১৬, শনিবার, ২০:১৬:১৮
লিসবনের পুনরাবৃত্তিই কি হবে সান সিরোতে? নাকি প্রতিশোধের জ্বালা মিটিয়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ গড়বে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের ইতিহাস? আজ (শনিবার) রাত পৌনে ১টায় মিলানের সান সিরো স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। মিলানের এই ‘মাদ্রিদ ডার্বি’র আগে ওই প্রশ্নটাই ভেসে বেড়াচ্ছে বাতাসে।
দুই বছর আগে ২০১৪ সালেও এই দুটি দলই মুখোমুখি হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। পর্তুগালের লিবসনের সেই ফাইনালে অ্যাটলেটিকোকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রেকর্ড দশম (লা ডেসিমা) শিরোপা জিতেছিল রিয়াল। এবার? লিসবনের পুনরাবৃত্তি ঘটাতেই বদ্ধপরিকর রিয়াল। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে গত কয়েক দিন ধরেই যে যুদ্ধ চলছিল, সেই বাকযুদ্ধে শরিক হয়ে গড়গড় করে নিজেদের প্রত্যাশার কথা বলেও দিয়েছেন বেল-রোনালদোরা।
গ্যারেথ বেল সরাসরিই বলে দিয়েছেন, ‘শিরোপা আমাদের চাই।’ একটু ঘুরিয়ে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেছেন, ‘আমরা লা লিগাটা ভালোভাবেই শেষ করেছি। এখন আমাদের চাওয়া, শনিবার দুর্দান্ত একটা জয়। তা হলে মাদ্রিদের মৌসুমটা হবে দারুণ। আমরা আত্মবিশ্বাসী, আমরা এটা জিতবে পারব।’
ওদিকে অ্যাটলেটিকো পণ করেছে- আর স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় নীল হওয়া নয়, যেভাবেই হোক এবার জিততে হবে শিরোপা। কয়েক দিন আগে অ্যাটলেটিকোর আর্জেন্টাইন কোচ দিয়েগো সিমিওনে নিজেই বলেছেন, ‘লিসবনের ফাইনালে হারটা ছিল কষ্টের। আশা করি এবারের গল্পটা হবে অন্যরকম। অ্যাটলেটিকোর সমর্থকদের জন্যই আমরা এই ট্রফিটা জিততে চাই। কারণ তারা এটা খুব করে চাইছে।’ দুই দলের এই মনোভাবই বলে দিচ্ছে মিলানের ‘মাদ্রিদ ডার্বি’টা জমবে ভালো।
ফুটবল বোদ্ধাদের বিশ্লেষণ, দুই দলেরই সম্ভাবনা ৫০-৫০। তবে ইতিহাস বলছে রিয়াল মাদ্রিদ ‘হট ফেবারিট’, অ্যাটলেটিকো পরিস্কার আন্ডারডগ। এর আগে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর এই টুর্নামেন্টে ১৩ বার ফাইনালে উঠে ১০ বারই শিরোপা উৎসব করেছে রিয়াল। উল্টো পিঠে অ্যাটলেটিকোর গল্পটা শুধুই স্বপ্নভঙ্গের।
এর আগে দুবার ফাইনালে উঠেছে অ্যাটলেটিকো। দুবারই শিরোপা-স্বপ্ন রূপ নিয়েছে বিষাদে। ১৯৭৪ সালে ব্রাসেলসের ফাইনালে প্রথমত ১-১ গোলে ড্র করলেও দুই দিন পর পুনরায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৪-০ গোলে হেরে যায় অ্যাটলেটিকো। ২০১৪ সালের হারের ক্ষত তো টাটকাই। এবার শিরোপা জিতেই জুড়াতে চায় সেই জ্বালা।
ইতিহাস বিপক্ষে থাকলেও অ্যাটলেটিকোকে এবার আত্মবিশ্বাসী করছে রিয়ালের সঙ্গে তাদের সাম্প্রতিক দ্বৈরথ। ২০১৪’র লিসবনের ফাইনালে হারের পর এ পর্যন্ত ১০ বার রিয়ালের মুখোমুখি হয়েছে অ্যাটলেটিকো। এর পাঁচ ম্যাচেই জিতেছে অ্যাটলেটিকো, হার মাত্র এক ম্যাচে! তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল বলে, ফুটবল বোদ্ধারা লিবসনের ফাইনালকেই টেনে আনছে বেশি করে।
সেবার ৯০ মিনিট পর্যন্তও ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল অ্যাটলেটিকো। রিয়াল সমতায় ফেরে সার্জিও রামোসের ইনজুরি সময়ের গোলে। পরে অতিরিক্ত সময়ে পাত্তাই পায়নি অ্যাটলেটিকো। রিয়াল জিতে যায় ৪-১ গোলে। বোদ্ধাদের গবেষণায় উঠে আসে বড় ম্যাচের চাপটা নিতে পারেনি বলেই শেষ দিকে ওভাবে ভেঙ্গে পড়ে অ্যাটলেটিকো।
অ্যাটলেটিকো এবার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে পারছে এখান থেকেও। ২০১৪ সালের তুলনায় অ্যাটলেটিকো এবার দল হিসেবে অনেক বেশি সংগঠিত। বিশেষ করে রক্ষণভাগ অনেক বেশি শক্তিশালী। লিগে পুরো মৌসুমে অ্যাটলেটিকো গোল হজম করেছে মাত্র ১৮টি! গোলরক্ষক ইয়ান ওবল্যাক গড়েছেন টানা ২৪ ম্যাচে গোল না খাওয়ার নতুন ক্লাব রেকর্ড। রক্ষণের সঙ্গে আক্রমণভাগের সমন্বয়টাও এখন দারুণ।
তাছাড়া ২০১৪’র ফাইনালে ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায়ই দলের প্রধান গোল মেশিন ডিয়েগো কস্তা মাঠ ছাড়েন চোট পেয়ে। এবার দলের দুই স্ট্রাইকার অ্যান্তোনিও গ্রিজমান ও ফার্নান্ডো তোরেস পুরো ফিট। ফর্মেরও তুঙ্গে দুজনেই। তবে অ্যাটলেটিকোকে মাথায় রাখতে হচ্ছে এটাও, প্রতিপক্ষে আছেন একজন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আছেন বেল-বেনজেমারা। বেল-বেনজেমার সহায়তায় রোনালদো মাঠে কী করতে পারেন সিমিওনে তা ভালো করেই জানেন। জানেন তার শিষ্যরাও।
cost of accutane “talk to the patient and obtain a history and then carry out a physical examination”>talk to the patient and obtain a history and then carry out a physical examination
For add
For add
For add
For add
for Add