for Add
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৮ এপ্রিল ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ১৯:২০:১২

‘বাঁচাও ফুটবল’আন্দোলন নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে মাঠে নেমেছেন তারা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনে কাজী মো. সালাউদ্দিন এবং তার মতাদর্শীদের হটাতে নরংসিদী-২ আসনের সাংসদ কামরুল আশরাফ খানকে সামনে নিয়ে ভোটের যুদ্ধে সামিল ‘বাঁচাও ফুটবল পরিষদ’। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি মনজুর কাদের এই প্যানেলের অন্যতম থিঙ্কট্যাঙ্ক। আজ (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে মনজুর কাদের একবারের জন্য তাদের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন কাউন্সিলরদের। বারবার তিনি হাতজোড় করে ভোট চেয়েছেন ‘বাঁচাও ফুটবল’ পরিষদের প্রার্থীদের জন্য। বলেছেন, ‘এই প্যানেল বিজয়ী হলে যদি দেশের ফুটবলের উন্নতি করতে না পারেন তাহলে আর কখনো ভোট চাইবো না, আর কখনো নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। আমরা একবার সুযোগ চাই।’
মনজুর কাদের ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ‘বাঁচাও ফুটবল’ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী কামরুল আশরাফ খান, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ডাইরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুঁইয়া, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ক্রীড়া সম্পাদক দেওয়ান সফিউল আরেফিন টুটুল, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল, জামালপুর ডিএফএ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান, প্রবীণ ক্রীড়া সংগঠক মোজাফফর হোসেন পল্টু, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের কোচ মারুফুল হক, ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সভাপতি কাওছার মোল্লা এবং সভাপতি প্রার্থী থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া নুরুল ইসলাম নুরু।
কামরুল আশরাফ খান পোটন বলেন,‘কারও সমালোচনা করতে চাই না। আমি প্রত্যেক জেলাতে একটা করে স্পন্সর জোগাড় করে দেব। এক কোটি টাকার এফডিআর করলে তার আয়েই ডিএফএগুলো চলতে পারবে। জাতীয় দলকেও স্পন্সর দেব। প্রত্যেক ক্লাবের খেলোয়াড়দের জিম ও খাওয়া-দাওয়ার সুব্যবস্থা করব। আমরা নাকি হুমকি দিয়েছি সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীদের। কিভাবে তাদের হুমকি দেব? শুনেছি এই নির্বাচনে নাকি আমাদের সঙ্গে সরকারের লোকজন আছে। সে কারণে আজকে আমাদের অনুষ্ঠানে পাপন ভাই এবং শেখ হেলাল ভাই আসেননি। তাদের নিষেধ করে দিয়েছি। চাই না কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি। এখানে ভোটের অধিকার সবার। কোন ভোটারকে হুমকি দিয়ে ভোট পাওয়া সম্ভব না।’
For add
For add
For add
For add
for Add