for Add
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২৭ এপ্রিল ২০১৬, বুধবার, ২০:২২:৪৪

প্রতিদিনই রং বদলাচ্ছে বাফুফে নির্বাচন। তৈরী হচ্ছে নানা ধরনের পরিস্থিতি। নির্বাচনী পরিবেশটাও হয়ে উঠছে উত্তপ্ত। কয়েকদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনে ভাসছিল নির্বাচন নিয়ে ‘টাকার খেলার’গল্প। তাতে নতুন করে যোগ হয়েছে ‘রাজনীতি আর ভয়ভীতির’খেলা। বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন নিজেই বলেছেন তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যে কারণে বাতিল করা হয়েছে রাতে পূর্বানী হোটেলে তার প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান। নির্বাচন নিয়ে পরিস্থিতি থমথমে। বিষয়টিকে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য অশনি সঙ্কেত হিসেবেও দেখছেন অনেকে। এক কথায় কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি বাংলাদেশের ফুটবল।
নির্বাচনের বাকি আর ৩ দিন। চার সভাপতি প্রার্থীর দুইজন ইতিমধ্যে সরে দাঁড়িয়েছেন নির্বাচনী ময়দান থেকে। কয়েক দিন আগে নুরুল ইসলাম নুরু সরে দাঁড়িয়েছেন কামরুল আশরাফ খানকে সমর্থন দিয়ে। আজ (বুধবার) গোলাম রাব্বানী হেলাল সরে দাঁড়িয়েছেন কাজী মো. সালাউদ্দিনকে সমর্থন দিয়ে। ব্যালটে চারজন সভাপতি প্রার্থীর নাম থাকলেও ভোটের লড়াইয়ে আছেন শুধু গত ৮ বছর ধরে বাফুফের সভাপতি দায়িত্ব পালন করা কাজী মো. সালাউদ্দিন এবং ক্রীড়াঙ্গনে নতুন মুখ কামরুল আশরাফ খান। ৩০ এপ্রিলি ১৩৪ জন কাউন্সিলর ভোট দিয়ে ঠিক করবেন পরবর্তী চার বছরের জন্য কে বসছেন দেশের ফুটবলের বড় চেয়ারে।
সব ঠিকই আছে। কিন্তু কাজী সালাউদ্দিন যখন নিরাপত্তাহীনতার কথা বলছেন তখন নির্বাচনী ঢেউটা কোন দিকে যায় সে দিকেই নজর দেশের ক্রীড়ানুরাগীদের। আজ (বুধবার) বিকেলে বাফুফে ভবনে নিজ কার্যালয়ে বসে কাজী মো. সালাউদ্দিন মিডিয়াকে বলেছেন, ‘আমাকে কোথাও একা না যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে আলোচনা সভা বাতিল করেছি।’
প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠান বাতিল প্রসঙ্গে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি চাই না দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগঠকরা এ সভার উদ্দেশ্যে ঢাকায় এসে কোনও ঝামেলায় পড়ুক। আমার মেয়াদকালে এই গত সাত- আট বছরে এমনটা হয়নি। কয়েকদিন আগেও আমিও এরকম কল পেয়েছি। আমাকে বলা হয়েছে, যেন একা ঘোরাফেরা না করি। যখন চট্টগ্রামে গেলাম তখন বলা হলো, সাবধানে থাকতে। এ ধরণের ঘটনা নজিরবিহীন। হোটেল কর্তৃপক্ষও আমার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। তাই তারা সেখানে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করতে চায়নি। বিভিন্ন মহল থেকে আমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে। তবে যে করেই হোক আমি নির্বাচনে অংশ নেব।’
সালাউদ্দিন আরও জানান-ফিফা ও এএফসি আমাদের এ বিষয়টি মনিটরিং করছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ফিফা ও এএফসির প্রতিনিধি ঢাকায় আসবেন। তার আগমনের আগে এ ধরণের পরিস্থিতি কাম্য নয়। এএফসি থেকে বাফুফেতে ফোন করে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তারা জিজ্ঞাসা করছেন আমাদের এখানে কী অবস্থা। আমাদের পক্ষ থেকে এখানে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানানো হয়েছে। আমি মনে করি না এখন পর্যন্ত ৩০ এপ্রিলের নির্বাচন নিয়ে কোনও সমস্যা আছে। তবে এ পরিস্থিতি যদি অব্যাহত থাকে এবং ডেলিগটরা যদি হুমকির মুখে থাকেন তবে কী অবস্থা দাঁড়ায় তা বলা যাচ্ছে না।’ সকাল থেকেই বাফুফে ভবনে বিরাজ করছিল চাপা উত্তেজনা।
For add
For add
For add
For add
for Add