for Add
তোফায়েল আহমেদ : ১৮ এপ্রিল ২০১৬, সোমবার, ১৯:১৪:৫৯
‘ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেটের মালিক কে? দেখুন তিনি একজন ব্যবসায়ী। আর ম্যারাডোনার দিকে তাকান। এত বড় ফুটবলার হয়েও কোচ হিসেবে তিনি ব্যর্থ। তার মানে কেউ ভালো ফুটবলার হলেই যে ভালো কোচ বা কর্মকর্তা হবেন তা নয়’- এই কথাগুলো কি কাজী মো. সালাউদ্দিনকে উদ্দেশ্য করেই বললেন তাঁর বিরুদ্ধে সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করা কামরুল আশরাফ খান? হতে পারে। নির্বাচন বলে তো কথা। যদি তাই হয় তবে তাঁর বলা পরের কথা গুলো জানান দিচ্ছে নির্বাচনের চিরায়ত উত্তাপ। ‘বাংলাদেশের মানুষের ফুটবল নিয়ে যে আগ্রহ তাতে এতদিনে সেই মানে আমরা এই খেলাটাকে নিয়ে যেতে পারিনি। আমি যদি নির্বাচিত হয়ে আসতে পারি তবে জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে একেবারে কেন্দ্র পর্যন্ত এর উন্নতি করতে চাই’-আজ (সোমবার) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই কথা বলছিলেন বাঁচাও ফুটবল প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী নরসিংদী ২ আসনের সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লি. এর ডাইরেক্টর ইনচার্জ- লোকমান হোসেন ভূইয়া, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের সভাপতি মনজুর কাদের, সাবেক ফুটবলার দেওয়ান শফিউল আরেফীন টুটুল। এ তিন জনই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সিনিয়র সহ সভাপতি পদে। বর্তমান সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের কমিটির বিরুদ্ধে ‘বাঁচাও ফুটবল’ নামে একটি সংগঠন আন্দোলন করে আসছিল বেশ কিছু দিন ধরেই। এবার একই ব্যানারে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্যানেল ঘোষনা করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তাঁরা। এই পক্ষের কথার লড়াইয়ে ইতিমধ্যে জমে ওঠেছে ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য বাফুফের নির্বাচন।
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক’দিন ধরেই সরগরম মতিঝিলে অবস্থিত বাফুফে (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) ভবন। শনিবার ও রবিবার মনোনয়নপত্র বিলির পর আজ ছিল দাখিলের দিন। কারা কারা কিনছেন মনোনয়নপত্র, কোন প্যানেলে কে আছেন এটিই এখন ফুটবল অঙ্গনের বড় খবর। দু’দিন ধরে তাই বাফুফে ভবন কেবল প্রার্থী, বিভিন্ন ফুটবল সংগঠক, প্রিন্ট মিডিয়া এবং টেলিভিশন সাংবাদিকদের পদচারনায় ভরা। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেশনে কারা হচ্ছেন আগামী চার বছরের হর্তা-কর্তা এনিয়ে আগ্রহ এখন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত। ২০০৮ সালে প্রথম মেয়াদে ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১২ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ফুটবলের অভিভাবকের চেয়ারে বসেন সালাউদ্দিন। কিন্তু এবার আর বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নয়। ২০০৮ সালের মত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই ফুটবল প্রশাসকের চেয়ারে বসতে হবে তাঁকে। গতকালই (রবিবার) নির্বাচনের আত্মবিশ্বাস প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আত্মবিশ্বাসী না হলে কখনই আমি নির্বাচনে অংশ নিতাম না। ’ অপরদিকে কামরুল আশরাফ-মনজুর কাদেরের কন্ঠেও আত্মবিশ্বাসের সুর। উত্তাপ ভরা এক নির্বাচনই বোধ হয় হতে যাচ্ছে ৩০ এপ্রিল।

মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে কাজী মো. সালাউদ্দিন প্যানেলের সিনিয়র সহ সভাপতি প্রার্থী আবদুস সালাম মুর্শেদী তাদের প্যানেলের বিজয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ‘নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। যেখানে সব কিছুর মালিক ভোটাররা। আমি আশা করছি, ভোটাররা সঠিক সিদ্ধান্তই নেবে। ’
For add
For add
For add
For add
for Add