for Add
স্পোর্টস ডেস্ক : ৭ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০:২২:১২

২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয়, ২০২২ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট, ২০২৬ বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ের অন্যতম ফেবারিট কিলিয়ান এমবাপের ফ্রান্স। ২০১৮ সালের পর এবারও ফরাসিরা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর।
কিলিয়ান এমবাপের নেতৃত্বে তারকায় ঠাসা দল নিয়ে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপা দাবিদার হিসেবেই মাঠে নামতে যাচ্ছে ফ্রান্স। তবে পরিসংখ্যান ও ইতিহাস বলছে- শুধু শক্তিশালী দল হলেই বিশ্বকাপ জেতা যায় না; বরং ফরাসীদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে দুটি অদ্ভুত ‘অভিশাপ’।
ফিফা র্যাংকিংয়ে বর্তমানে শীর্ষে স্থারয়েছে ফ্রান্স। সর্বশেষ র্যাংকিংয়ে তারা পেছনে ফেলেছে স্পেনকে। কাগজে-কলমে বিশ্বের সেরা দল হিসেবে বিশ্বকাপে যাওয়া নিঃসন্দেহে বড় আত্মবিশ্বাসের বিষয়; কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা।
ফিফা র্যাংকিং চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত এমন কোনো দল নেই, যারা বিশ্বকাপে নামার সময় বিশ্বের এক নম্বর দল ছিল এবং শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছে। অর্থাৎ র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা যেন উল্টো চাপ হয়ে দাঁড়ায়- এমনই এক পরিসংখ্যানগত বাস্তবতা সামনে রয়েছে ফ্রান্সের।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য। ফ্রান্স দলে আছেন বর্তমান ব্যালন ডি’অর জয়ী ওসমান ডেম্বেলে; কিন্তু গত ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পুরস্কারের ইতিহাসে দেখা গেছে, যে দলে ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলার ছিলেন, সেই দল কখনোই ওই সময়ে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এই ‘অভিশাপ’ও এখন ফ্রান্সের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ধারা থেকে রেহাই পাননি ফুটবল ইতিহাসের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তারা ব্যালন ডি’অর দখলে রেখেছিলেন। কিন্তু তাদের কেউই এই পুরস্কার হাতে থাকা অবস্থায় নিজেদের দেশকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি।
বরং ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা দেখা যায় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ সালে। সেই সময় ব্যালন ডি’অর জয়ী করিম বেনজেমা ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি, আর ঠিক তখনই আর্জেন্টিনা ফুটবল দল বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয়।
এবারের বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র তিন মাস বাকি। ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আসরে বুকমেকার, বিশ্লেষক ও ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে ফ্রান্সই অন্যতম প্রধান ফেবারিট। তাদের দলে বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের সমাহার, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও দুর্দান্ত।
তবে কোচ দিদিয়ের দেশমের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে- এই দুই ঐতিহাসিক ‘অভিশাপ’কে ভাঙা। কারণ পরিসংখ্যান যতই নেতিবাচক হোক, মাঠের খেলাই শেষ কথা। যদি ফ্রান্স এই বাধা অতিক্রম করতে পারে, তবে তারা জিততে পারে নিজেদের ইতিহাসের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা।
For add
For add
For add
For add
for Add