for Add
নিজস্ব প্রতিবেদক : ৭ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০:০৮:২৩

এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বে ভালো ফলাফলের প্রত্যাশায় ভারতের হিমাচল প্রদেশের শিমলার উদ্দেশ্যে সোমবার দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ যুব টেবিল টেনিস দল। তারা ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী হয়ে শিমলায় পৌঁছাবে।
৩০তম এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বাছাইপর্ব হিসেবে আগামী ৮ থেকে ১১ এপ্রিল ভারতের শিমলায় অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। বাংলাদেশ ছাড়াও এতে অংশ নিচ্ছে স্বাগতিক ভারতসহ সার্কভুক্ত দেশসমূহ। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৯ বালক ও বালিকা বিভাগে সিঙ্গেলস, ডাবলস, মিক্সড ডাবলস এবং টিমস ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবে।
বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের (বিটিটিএফ) সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেটের নেতৃত্বে ২০ সদস্যের দলটি শিমলায় যাচ্ছে। ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ও বিটিটিএফ-এর ২য় সহ-সভাপতি তাহমিনা তারমিন বিনু। কোচ হিসেবে থাকছেন বিকেএসপির ধনঞ্জয় শীল তীর্থ এবং আইটিটিএফ লেভেল-২ কোচ রিগ্যান বড়ুয়া।
বাংলাদেশ যুব দলের অনূর্ধ্ব-১৯ বালক দলের খেলোয়াড়রা হলেন- মোঃ নাফিজ ইকবাল (অধিনায়ক), আবুল হাসেম হাসিব, মোঃ তাহমিদুর রহমান সাকিব ও মোঃ জয় ইসলাম।
অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা দলের খেলোয়াড়রা হলেন: খই খই সাই মারমা (অধিনায়ক), রেশমী তনচংগ্যা, ঐশী রহমান ও নুসরাত জাহান।
অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের খেলোয়াড়রা হলেন: মোঃ শাহীন আহম্মেদ (অধিনায়ক), মোঃ মিদুল রহমান, তামজিদুুল ইসলাম পরশ ও রাব্বি ইসলাম।
অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা দলের খেলোয়াড়রা হলেন: মোছাঃ রাফিয়া চৌধুরী (অধিনায়ক), জান্নাত ইসলাম রোজা, মোসাম্মদ জান্নাতুল রোজা ও সাবিহা আক্তার পাপিয়া।
যুব দলের মোট ১৬ জন টেবিল টেনিস খেলোয়াড়ের মধ্যে ১২ জনই বিকেএসপির বর্তমান এবং ২ জনসাবেক শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ১ জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ১ জন গ্রিন টেবিল টেনিসকে প্রতিনিধিত্ব করছে। বাকি ২ জনের মধ্যে ১ জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ও ১ জন রংপুর টেবিল টেনিস সংস্থার।
দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেট বলেন, ‘প্রতিযোগিতার প্রসপেক্টাস হাতে পাওয়ার আগেই আমরা দল নির্বাচন করে বিকেএসপিতে ৩৩ দিনের একটি নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিচালনা করেছি। গত বছর কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে বাংলাদেশ ৭টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করলেও প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ না হওয়ায় এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। তবে এবার আমরা কোয়ালিফাইং নিয়ে খুবই আশাবাদী।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবারের সাউথ এশিয়ান জুনিয়র আমাদের কয়েকজন শীর্ষ খেলোয়াড়ের জন্য শেষ টুর্নামেন্ট। আমরা বিশ্বাস করি, তারা তাদের শেষ আসরটিকে স্মরণীয় করে দেশের জন্য সম্মানজনক ফলাফল বয়ে আনবে।’
For add
For add
For add
For add
for Add